Blog

  • জেনে নিন লিঙ্ক  বিল্ডিং  সম্পর্কে কেন জানতে হবে আর কিভাবে ৮০ বিলিয়ন ডলারের মার্কেটে নিজে সুযোগ করে নিতে পারেন

    জেনে নিন লিঙ্ক বিল্ডিং সম্পর্কে কেন জানতে হবে আর কিভাবে ৮০ বিলিয়ন ডলারের মার্কেটে নিজে সুযোগ করে নিতে পারেন

    লিঙ্ক বিল্ডিং স্কিলই হতে পারে আপনার স্পেশালাইজেশন আর তার উপর ভিত্তি করে গড়ে তুলতে পারেন নিজের এজেন্সি, বাড়াতে পারেন নিজের বিজনেস বা এফিলিয়েট সাইটের সার্চ র‍্যাঙ্কিং।


    অনলাইন বিজনেসের জন্য এসইও কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা যারা অনলাইন বিজনেসের সাথে জড়িত তারা সবাই উপলব্ধি করে। যে সাইটটি তার প্রধান কিওয়ার্ড গুলোর জন্য সার্চ ইঞ্জিনের প্রথমেই র‍্যাঙ্ক করে তার ক্রেতার সংখ্যা যে সাইটগুলোর কিওয়ার্ড র‍্যাঙ্কিং করে না তার তুলনায় কয়েক গুন।

    কোন কোন ক্ষেত্রে কয়েকশ গুন। বিজনেস গুলোর কাছে তাই এসইও অনেক গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটিং স্ট্রাটেজি।

    এসইও নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের প্রত্যেকই জানে এসইওয়ের সবচাইতে জটিল পর্বটা হলো লিঙ্ক তৈরি করা। গুগলের কাছে প্রতিটি লিঙ্ক একেকটি ভোট। যে কনটেণ্ট যত ভালো মানের লিঙ্ক পায় গুগল ধরে নেয় সেই কনটেণ্ট তত ভালো।

    কেননা কোন কোন লেখা থেকে তখনই লেখক কোন পেইজকে লিঙ্ক করে যখন সে ঐ লেখাকে তার সাথে সম্পর্কিত ও ঐ ক্যাগারিতে সব চাইতে ভালো মনে করে। মানুষ যেটা ভালো মনে করে গুগল সেটাকে ভালো বলে ধরে নেয়।

    তাই লিঙ্ক সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্কিংয়ে সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক এক্সপার্টদের মতে লিঙ্ক হচ্ছে র‍্যাঙ্কিংয়ের ১ নাম্বার গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর

    লিঙ্ক ব্যবসায়িক ভাবে এতো  গুরুত্বপূর্ণ তাই লিঙ্ককে ঘিরে তৈরি হয়েছে অনেক বড় ব্যবসা আর অনেক বড় মার্কেট। লিঙ্ক বিল্ডিং সার্ভিস, লিঙ্ক সফটওয়্যার, লিঙ্ক মার্কেট নানা নিশ মার্কেট আছে এই লিঙ্ককে ঘিরে।

    এমন প্রচুর কোম্পানী আছে যারা প্রতিমাসে কয়েক লক্ষ ডলার আয় করে।

    লিঙ্ক বিল্ডিং খুব কস্ট সাধ্য কাজ। লিঙ্ক বিল্ডিং অতটো সহজ বিষয়ও নয়। পেঙ্গুইন  আপডেটের পর লিঙ্ক বিল্ডিং একদিকে যেমন কঠিন হয়েছে অন্যদিকে ব্যয় সাপেক্ষ হয়ে পড়েছে। এণ্টারপ্রাইজ লেভেলে গড়ে একেকটা লিঙ্কের দাম ৩৭৫ ডলারের মত

    পেঙ্গুইন আপডেটের পর লিঙ্ক মার্কেট অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছিলো। আপডেটটা ছিলো যারা বাজে লিঙ্ক তৈরি করেছে, কিংবা লিঙ্ক তৈরি করে র‍্যাঙ্কিং ম্যানিপুলেট করতে চেয়েছে তাদের বিরুদ্ধে একটা শাস্তি মূলক ব্যবস্থা।

    এতে প্রচুর সাইট র‍্যাঙ্ক হারিয়েছিলো। অনেকে নতুন ভাবে লিঙ্ক তৈরি করতে ভয় পাচ্ছিলো।

    অধিকাংশ এসইও এক্সপার্ট যারা লিঙ্ক বিল্ডিং ভিত্তিক সার্ভিস দিচ্ছিলো তাদের কাজ আস্তে আস্তে কমে গিয়ে ছিলো। অনেকে ধীরে ধীরে অন্য স্কিলে চলে গেছে আবার কেউ প্রফেশন চেঞ্জ করেছে।  অনেকটা এমন মনে হচ্ছিলো লিঙ্কের বুঝি আর প্রয়োজন নেই।

    এই ধারনাটা কয়েক বছর আগে শুরু হলেও একেবারে শেষ হয়ে যাই নি। এখনো অনেকে আছে যারা কোন না কোন ভাবে এই ধারনা থেকে বের হতে পারে নি।

    আবার অনেকে লিঙ্ক বিল্ডিংয়ের চাহিদা, সুযোগ, সম্ভাবনা ও প্রয়োজন সম্পর্কে জ্ঞাত না।

    আমার ১২+ বছরের এসইও ইন্ড্রাস্ট্রি এক্সপেরিয়েন্স ও লিঙ্ক বিল্ডিং এজেন্সি চালানোর অভিজ্ঞতায় বলে লিঙ্কের প্রয়োজন কখনো শেষ হবে না। প্রয়োজন থাকবে বলেই মার্কেট থাকবে। কাজের সুযোগ ও ব্যবসার সুযোগ থাকবে।

    প্রফেশনাল বা এন্ট্রেপ্রেনিয়রদের লিঙ্ক সম্পর্কে খুবই ভালো ধারনা থাকা প্রয়োজন। আমি বেশ কিছু কারন ও সম্ভাবনা তুলে ধরছি যে কারনে অবশ্যয় আপনার লিঙ্ক বিল্ডিং সম্পর্কে জানতে হবে।

    ১) ফ্রিল্যান্সার হতেঃ

    যারা একেবারে নতুন ফ্রিল্যান্সিং করতে আগ্রহী তাদের যে কোন একটা স্কিল সম্পর্কে দক্ষ হতে হবে। এসইও হতে পারে সেই স্কিল গুলোর একটি। এসইওতে লিঙ্ক বিল্ডিং কাজই বেশি আউটসোর্স হয়। যে সব কোম্পানী নিজেদের এসইও নিজেরা করে তারা যেমন লিঙ্ক বিল্ডিংয়ের কাজটা আউটসোর্স করে তেমনি, এফিলিয়েট মার্কেটার, ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি ও এসইও এজেন্সি গুলো লিঙ্ক বিল্ডিংয়ের কাজ আউটসোর্স করে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে লংটার্ম করতে চাইলে আর স্কিল হিসাবে যদি এসইও নির্বাচন করেন তবে লিঙ্ক বিল্ডিং আপনাকে শিখতে হবে।

    ২) এসইও এক্সপার্ট হতে হলে

    এসইওতে অনেক গুলো কম্পোনেন্ট আছে। লিঙ্ক বিল্ডিং তার মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ একটা কম্পোনেন্ট। অনেক এসইও এক্সপার্ট আছে যাদের অনেকেই লিঙ্ক বিল্ডিং সম্পর্কে সাধারণ কিছু আইডিয়া রাখেন। সত্যিকার অর্থে এসইও এক্সপার্ট হতে হলে ক্লায়েন্ট বা নিজের সাইটের র‍্যাঙ্কের জন্য কেমন লিঙ্ক থাকা উচিত সেটা বুঝতে পারা এবং লিঙ্ক বিল্ডিং প্লান তৈরি করে সেটা নিজে বা অন্যকে দিয়ে করতে পারার জন্য লিঙ্ক বিল্ডিং সম্পর্কে আপনার অবশ্যই প্রশিক্ষন থাকতে হবে।

    ৩) এসইওতে লংটার্ম ক্যারিয়ার তৈরিঃ

    এসইওয়ের বাজার অনেক বড়। বলা হয় কেবল ইউএসএতেই এসইয়ের বাজার ৮০ বিলিয়ন ডলার। এসইওয়ের মার্কেট কখনই ছোট হবে না। ক্রমশঃ বাড়তে থাকবে। ক্লায়েন্ট একুইজিশনের ক্ষেত্রে এসইও এখনো সব চাইতে কার্যকর ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্রাটেজি। যেই স্ট্রাটেজি যত গুরুত্বপূর্ণ আর যত বড় তার মার্কেট ততই প্রয়োজন সেই বিষয়ে স্পেশালাইজড প্রফেশনালের।

    এসইও স্পেশালাইজড হিসাবে এসইওয়ের সব গুলো কম্পোনেন্ট সম্পর্কে দক্ষতা থাকলেই ক্যারিয়ারকে একটা শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তাই কেবল অনপেইজ, টেকনিক্যাল এসইও কিংবা কিওয়ার্ড রিসার্চ নয়, সাথে সাথে লিঙ্ক বিল্ডিংটাও শিখতে হবে।

    ৪) ডিজিটাল মার্কেটিং টিম লিডার হতেঃ

    ডিজিটাল মারকেটিং টিম লিডার হতে হলে টিমের সবার যে ধরনের স্পেশালাইজড স্কিল গুলো থাকে সেই বিষয় সম্পর্কে টিম লিডারেরই একটা ধারনা থাকা দরকার। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের স্ট্রাটেজি গুলোর মধ্যে এসইও অবশ্যয় থাকে। আর খুব গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট হিসাবেই থাকে।

    গুরুত্বপূর্ণ এই স্ট্রাটেজি পরিচালনার জন্য এসইও টিমকে পরিচালনা করতে, পরামর্শ দিতে আর কাজের পর্যালোচনা করতে এসইও টিম যেই বিষয় গুলো নিয়ে কাজ করে তার সম্পর্কে অবশ্যয় জানতে হবে। এসইও টিমের লিঙ্ক বিল্ডিং একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই টিম লিডারকে লিঙ্ক বিল্ডিং জানতে ও শিখতে হবে।

    ৫) আমাজন নিশ সাইট পরিচালনা করতে

    ভালো নিশ, ভালো কিওয়ার্ড, ভালো প্রোডাক্ট, ও ভালো কনটেণ্টের পরের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো লিঙ্ক। যে সাইট গুলো কম্পিটিটরদের চেয়ে ভালো আর বেশি লিঙ্ক পাবে সেই সাইট গুলো ভালো করে। অনেকে নিশ সাইট তৈরি করে কিন্তু ডিজায়ার্ড রেজাল্ট পায় না কারন লিঙ্ক তৈরি করতে পারে না বলে আবার লিঙ্ক সম্পর্কে ভালো নলেজ না থাকার কারনে। অনেকে আবার এটা ঠিক করতে পারে না কি লিঙ্ক তৈরি করবে আর কেমন ভাবে তা করবে।

    নিশ সাইট নিয়ে সফল হতে হলে অবশ্যয় লিঙ্ক বিল্ডিং জানতে হবে আর শিখতে হবে। এমন কি লিঙ্ক বিল্ডিং সার্ভিস হায়ার করলেও নিজের লিঙ্ক স্ট্রাটেজি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

    ৬) এজেন্সিতে কিংবা ইনহাউজ এসইও এক্সপার্ট হিসাবে জব করতেঃ

    এসইও, ডিজিটাল এজেন্সি ও ইনহাউজ এসইও এক্সপার্টদের সাধারণ সাইটের ফুল এসইওয়ের দ্বায়িত্ব পালন করতে হয়। অনসাইট আপটিমাইজেশনের পাশাপাশি অফসাইটের এসইওয়ের কাজ করতেই হবে। অনেক ক্ষেত্রে হয়তো আউটসোর্স করতে হয়। কিন্তু নিজেদের ঐ স্ট্রাটেজি সম্পর্কে ভালো ধারনা না থাকলে সমস্যা হয়। এসইও এক্সপার্ট হিসাবে যেখানেই জব করুন আপনার লিঙ্ক বিল্ডিং সম্পর্কে জানতেই হবে। শিখতেই হবে।

    ৭) নিজের এজেন্সি তৈরি করতে

    এখানে আমি কিছু ক্ষেত্রে কাজ করতে গেলে কেন লিঙ্ক বিল্ডিং সম্পর্কে জানতে হবে তা তুলে ধরেছি। এর বাইরেও অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে আপনার লিঙ্ক বিল্ডিং সম্পর্কে আপনার দক্ষতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন আছে।

    আপনার পালাঃ

    জানতে চাই আপনার মতামত। আমার লেখার কোন অংশের সাথে আপনার দ্বিমত থাকলে আপনার যুক্তি কমেন্টে লিখুন। লেখাটি ভালো লাগলে কমেন্টে আমাদের জানান। বিশেষ অনুরোধ রইলো লেখাটি শেয়ার করার জন্য।

  • ৫ ধরনের কাস্টোমার এওয়ারনেস লেভেল সম্পর্কে জেনে নিন ( তৈরি করুন সেই অনুযায়ী মার্কেটিং ক্যাম্পেইন)

    ৫ ধরনের কাস্টোমার এওয়ারনেস লেভেল সম্পর্কে জেনে নিন ( তৈরি করুন সেই অনুযায়ী মার্কেটিং ক্যাম্পেইন)

    নতুন কোন মার্কেটিং ক্যাম্পেইন শুরু করার আগে কোন বিষয়টি সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ? কে আপনার প্রসপেক্ট আর কি আপনি বিক্রি করতে চাচ্ছেন এই সব হয়তো আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে। আপনার ধারনা হতে পারে এই দুইটা বিষয় জানলেই হলো।

    আসলে বিষয়টা তেমন না। গ্রেট লিডস নামক এক বইয়ে লিজেন্ডারি কপিরাইটার মাইকেল মাস্টারসন ও জন ফোর্ডে বলেন যে কোন ক্যাম্পেইন শুরু করার আগে আপনার নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত…

    আমার প্রসপেক্ট কি জানে?

    আর এই বিষয়টাই আপনার সাফল্যের পরিমান নির্ধারন করবে কিংবা বলা যায় সাধারণ ও সাকসেস ফুল ক্যাম্পেইনের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো হলো ঃ

    • আপনার সাম্ভাব্য ক্রেতা আপনার কোম্পানী ও প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানে
    • আপনার প্রোডাক্ট যে সমস্যা সমাধান করে তা সম্পর্কে আপনার সাম্ভাব্য ক্রেতা কতটুকু জানে
    • অন্য যে প্রোডাক্ট বা সলিউশন আছে সেই সম্পর্কে কতটুকু জানে আর যারা এই প্রোডাক্ট বা সলিউশন তাদের সম্পর্কে কতটুকু জানে।

    এই সব বিষয়ে আপনার উত্তর আর সেই অনুযায়ী তৈরি করা হেডলাইন, ইন্ট্রো প্যারাগ্রাফ ঠিক করে দিবে আপনি কি ধরনের লিড পাবেন। এই উত্তর গুলো কেমন লিড পাবেন সেটা ছাড়াও আরো কিছু তথ্য আপনাকে দিবে। যেমনঃ

    • ঠিক কতটুকু তথ্য আপনার সাম্ভাব্য ক্রেতার দরকার
    • ঠিক কতটুকু সাম্ভাব্য ক্রেতাকে জানানো প্রয়োজন
    • ঠিক কোন ধরনের প্রোমোশন আপনার প্রয়োজন হবে
    • সাম্ভাব্য ক্লায়েণ্টের সাথে প্রোডাক্টা বা সার্ভিস নিয়ে ঠিক কতটা সরাসরি আলোচনা করা যাবে
    • কি ধরনের অফার সব চাইতে বেশি লিড জেনেরেট করবে

    আমাদের ক্লায়েন্ট ঠিক কতটুকু ইতিমধ্যে জানে এটা আমরা কিভাবে বের করবো?

    উত্তরটা হচ্ছে ক্লায়েন্টের এওয়ারনেস লেভেল থেকে। কপিরাইটার ইউগেন স্কোওয়াচ বলেছেন ক্লায়েন্টের ৫ ধরনের লেভেল অব এওয়ারনেস থাকে।

    • মোস্ট এওয়ার – তারা আপনার কোম্পানী ও সলিউশন সম্পর্কে জানে। তারা আপনার ব্রান্ড লয়েল। আপনার কোম্পানীর ইভেন্ট বা প্রোগ্রামে জয়েন করে। এরা আপনার সবচাইতে ভালো ক্লায়েন্ট। এরা বারংবার আপনার কাছ থেকে কিনবে।
    • প্রোডাক্ট এওয়ার– তারা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানে। কিন্তু কখনো কিনে নি। তারা কম্পিটিটরের প্রোডাক্ট সম্পর্কেও জানে। তারা নিশ্চিত হতে পারছে না কোন প্রোডাক্টটি তাদের জন্য ভালো হবে।
    • সলিউশন এওয়ার- তাদের সমস্যার সলিউশন আছে এটা তারা জানে। কিন্তু নির্দিস্ট কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে জানে না। আপনার কোম্পানী ইন্ড্রাস্ট্রিতে খুব পরিচিত না হলে তারা আপনার কোম্পানী সম্পর্কে জানে না।
    • প্রবলেম এওয়ার– তারা জানে তাদের সমস্যাটি আছে। সমস্যাটি সম্পর্কে তাদের ধারনা আছে কিন্তু সমস্যাটি সম্পর্কে পুরোপুরি বুঝতে পারে না। তারা আগে এই ধরনের সমস্যা নিয়ে ডিল করে নি। তারা সাম্ভাব্য সলিয়ুশন সম্পর্কেও জানে না।
    • আনএওয়ার -সমস্যা সম্পর্কে কোন ধারনা নাই। তারা জানে না যে ভাবে আছে তার চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে। আপনার প্রোডাক্টটি যদি পুরানো কোন সমস্যা সমাধানের চেস্টা করে তবে আপনার ক্লায়েণ্ট এই লেভেলের।

    এওয়ারনেস লেভেল অনুযায়ী ক্রেতাদের চাহিদা ও প্রয়োজন ভিন্ন ভিন্ন হয়। এওয়ারনেস লেভেল যত কম হবেঃ

    • তত বেশি এডুকেশন প্রয়োজন হবে তার নিকট সেল করতে
    • সেলস পিচে তত অনাগ্রহী হবে
    • আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে তত ইন্ডিরেক্টলি তাকে বলতে হবে

    কাস্টোমার এওয়ারনেস লেভেল নির্ধারণ খুবই জরুরী। কাস্টোমার এওয়ারনেস লেভেল অনুযায়ী সেগমেন্টেশন করে মার্কেটিং ক্যাম্পেইন করলে তার কনভার্সন বেশি হবে।

    কিভাবে কাস্টমোয়ার এওয়ারনেস বের করা যাবেঃ

    আপনি যে সমস্যাটি সমাধান করছে তার সম্পর্কে প্রশ্ন করুনঃ

    • সমস্যাটি সম্পর্কে মানুষ কত ভালো ভাবে জানে
    • প্রসপেক্ট সমস্যা সম্পর্কে জানে তার সম্ভাবনা কেমন
    • বাজারে অন্য আরো কেমন ও কাদের সমাধান রয়েছে
    • এই সমাধান গুলো ঠিক কত পরিচতি

    আপনার কোম্পানী নিয়ে প্রশ্ন করুনঃ

    • আপনার কোম্পানী কতটা পরিচিত
    • প্রসপেক্টের যে সমস্যা সেই ইন্ড্রাস্ট্রিতে আপনার কোম্পানী কতটা পরিচিত
    • প্রসপেক্ট আপনার বিজ্ঞাপন দেখেছে তার সম্ভাবনা কেমন

    আপনার সমাধান সম্পর্কে প্রশ্ন করুনঃ

    • এটি কি একেবারে নতুন? ঠিক কতদিন ধরে মার্কেটে আছে?
    • এটি কি ইউনিক? ঠিক একই রকম সমাধান কি বাজারে আছে?
    • কেমন বিজ্ঞাপন আপনি আগে করেছিলেন

    আপনি যখন এই বিষয় গুলো জানবেন আপনার মার্কেটিং আর সেলস প্রসেস সহজ হয়ে আসবে।

    আমরা যারা অনলাইনে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেল করি বা সেল করার কথা ভাবছি, আমাদের যাদের সাইট আছে কিংবা সাইট তৈরি করার কথা ভাবছি তার যদি কাস্টোমার এওয়ারনেস লেভেল অনুযায়ী মার্কেটিং করি তবে আমাদের সাফল্য অনেক গুন বেড়ে যাবে।


    মাস্টারিং কন্টেন্ট স্ট্রাটেজি কোর্স

    সহজেই এফিয়েট, বিজনেস ও ই-কমার্স সাইটের কনটেণ্ট তৈরি করুন।

  • কনটেণ্ট, কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি ও কনটেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা-১

    কনটেণ্ট, কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি ও কনটেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা-১

    কনটেণ্ট, কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি ও কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে ধারাবাহিক কয়েকটি পর্বের এটি প্রথম পর্ব। ধারাবাহিক এই লেখায় কন্টেট, কন্টেণ্ট মার্কেটিং আর কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি নিয়ে গুরুতপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরবো। আমার এই লেখার উদ্দেশ্য অনলাইনে বিজনেস তৈরি ও গ্রো করতে কনটেন্ট যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তা তুলে ধরা আর কিভাবে কনটেণ্ট মার্কেটিং নিজের বিজনেসে এপ্লাই করা যায় তা তুলে ধরা।


    যে কোন কিছুর দুইটা সাইট আছে – একটা ভুল আর একটা সঠিক। অনলাইন মার্কেটিংয়ের নানা রকম স্ট্রাটেজি আছে – পেইড এডভার্টাইজমেন্ট, এসইও, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি। কেবল একটা পদ্ধতির উপর নির্ভর করাটা ভুল।

    আবার বেটার রেজাল্ট, লো কস্ট, লং টার্ম রিটার্ণ নিয়ে আসে এমন স্ট্রাটেজি ইমপ্লিমেন্ট না করা বিজনেসের জন্য ভুল।

    কনটেণ্ট মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্য যেকোনো মার্কেটিং স্ট্রাটেজির তুলনায় সাশ্রয়ী আর উচ্চ আরওআই সম্পন্ন।

    কনটেন্ট ইজ কিং। প্রমানিত সত্যি কথা। এই কথাটা প্রায় সবাই জানে। ওয়েবসাইট মানেই কনটেণ্ট। সেটা অডিও ভিজুয়াল হউক আর টেস্কট হউক। সাইট তৈরির জন্য বেসিক পেইজগুলো থেকে শুরু করে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য প্রয়োজন।

    ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্রাটেজির সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট হলো কনটেণ্ট। সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্ক থেকে, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে, অন্য সাইট থেকে সাইটে ভিজিটর আনতে কনটেণ্ট প্রয়োজন।

    কনটেন্ট মার্কেটিং আবার ক্লায়েন্ট একুইজেশনের ক্ষেত্রে অন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের চেয়ে কয়েকগুন বেশি কার্যকর। কনটেন্ট সাম্ভাব্য ক্রেতার মাঝে আস্থা ও বিশ্বাস আর সম্পর্কে তৈরি করে সহজেই।

    বিটুবি আর বিটুসি মার্কেটারদের ৮০% এর উপরের কনটেন্ট মার্কেটিংকে তাদের কোর স্ট্রাটেজির অংশ করেছে। কারন তারা দেখেছে কনটেণ্ট থেকে লিড আর সেলস জেনেরেট হয় অনেক গুন বেশি।

    এডভার্টাইজমেন্টের মাধ্যমে তাদের কোম্পানীকে যারা খুজে পায় তাদের চেয়ে যারা আর্টিকেল থেকে খুজে পায় তারা অনেক বেশি কনর্ভাট হয়। ক্রেতারা যখন কোন কনটেণ্টকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করে তখন কোম্পানীকেও বিশ্বাস যোগ্য মনে করে।

    মোবাইল আর সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই বিশাল সংখ্যক ব্যবহারীরদের কাছে পৌছাতে হলে প্রয়োজন কনটেণ্ট।

    কনটেন্ট অনেক ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারেঃ

    • কোন কোম্পানীর ব্রান্ড এক্সপোজার বাড়াতে পারে
    • ভিজিটর বাড়াতে পারে
    • লিড বাড়াতে পারে
    • সেলস তৈরি করতে পারে
    • কাস্টোমার সার্ভিসে সাহায্য করতে পারে।
    বায়ার জার্নি

    নানা রকমের কনটেণ্ট, নানান অবজেক্টিভ আর ক্রেতাদের বায়িং জার্নি হয় আলাদা। সব কিছু বিবেচনা নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতে পারলেই সাফল্য আসে। কিন্তু বিষয় গুলো অতটা সরল রৈখিক না। সব কিছু করতে হয় একটা কৌশল আর পরিকল্পনার মাধ্যমে।

    স্ট্রাটেজি জরুরী।

    কিওয়ার্ড রিসার্চ করে ব্লগ পাবলিশ করলেই কিংবা কিছু তথ্য নিয়ে সাইট তৈরি করলেই বিক্রি বাড়বে না, ব্রান্ডিং তৈরি হবে না। হলেও তেমনটা হবে না যেমনটা হওয়া উচিত। টিকে থাকার জন্য যেমন নির্দিস্ট পরিমান সেলস প্রয়োজন, ঠিক তেমনি ক্রমাগত উন্নতির জন্য সেলস ক্রমশঃ বাড়ানোর প্রয়োজন।

    এমন যদি হয় সুযোগ আছে কিন্তু তা ব্যবহার করা হচ্ছে না তাহলে সেটা বড় হওয়ার জন্য খুবই ক্ষতিকর। ছোট সম্ভাবনাকে বড় করার মাধ্যমেই বড় হতে হয়।

    কনটেন্ট নিয়ে উত্তোরত্তর ভালো ফলাফল পেতে হলে কন্টেন্ট সম্পর্কে, কন্টেণ্ট মার্কেটিং সম্পর্কে আর কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি সম্পর্কে সুপস্ট ধারনা থাকা অত্যাবশক।

    শেখাটা গাইডেড হলে সময় বেচে যায় আর সহজেই শেখা যায়।

    নতুনদের কনটেণ্ট সম্পর্কে আর কন্টেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে জানার লার্নিং কার্বটা একটু দীর্ঘ। একটা ফাউন্ডেশনাল নলেজের প্রয়োজন হয়। কনসেপ্ট বুঝতে হয়, ইলিমেন্ট গুলো বুঝতে হয়, প্রসেস বুঝতে হয়।

    ওয়েবে এই নিয়ে প্রচুর তথ্য আছে। কিন্তু সমস্যা হয় সব গুলো বিষয়কে একত্রিত করে পাওয়া। কনটেণ্টের সাথে কমপ্লিমেন্টরি আর সাপলিমেন্টরি অনেক কিছুই বুঝতে হয়। নতুনদের জন্য তাই বিষয়টা একটু জটিল হয়ে যায়। চেস্টা চালিয়ে গেলে সময় কয়েক গুন  বেশি লাগলেও শেখা যায়।

    কাদের কন্টেন্ট স্ট্রাটিজি জানা বা শেখা উচিত?

    যাদের যে কোন ধরনের অনলাইন বিজনেস আছে, অনলাইন মার্কেটিং প্রফেশনাল, আর যারা নতুন করে বিজনেস শুরু করতে চায়। যিনি অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করেন তিনি যদি কন্টেন্ট তার বিজনেসের জন্য কি করতে পারে আর তা কেমন করে করতে হয় জানে তাহলে অবশ্যয় তিনি তার বিজনেস বাড়াতে সঠিক পথে তার টিমকে পরিচালনা করতে পারবেন।

    যিনি নতুন করে বিজনেস শুরু করতে চাচ্ছেন তিনি যদি জানেন কেমন হউয়া উচিত তার সাইটের ইনফরমেশন হায়ারকি, কারা তার বায়ার, তাদের বায়িং জার্নি কেমন আর প্রত্যেক পেইজের জন্য কেমন কনটেন্ট থাকা উচিত তাহলে তিনি খুব ভালো ভাবে সাইটটি তৈরি করতে পারবেন, লিড কালেক্ট করতে পারবেন। লিডকে ক্লায়েণ্ট কনর্ভাট করতে পারবেন।

    কনটেণ্ট স্ট্রাটিজকে খুবই গুরুত্বের সাথেই নতুন ভাবে করতে যাওয়া আর বর্তমানে আছে এমন সব বিজনেসকে নিতে হবে।


    পরের পর্বে আমরা কনটেণ্ট মার্কেটিংয়ের কিছু উদাহরণ নিয়ে আলোচনা করবো। যেখানে আমরা দেখবো কন্টেণ্ট কি ধরনের সাফল্য নিয়ে এসেছে।

  • গ্রামার সফটওয়্যার কিভাবে ভালো আর্টিকেল রাইটার হতে সাহায্য করতে পারে

    আর্টিকেল রাইটার হয়ে ওঠার শেষ ধাপ?

    ধরে নেয়া যাক আমরা অনেক কষ্টে মোটামুটি লিখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। অ্যামেরিকান নেটিভ টোনও কিছুটা বুঝতে ও লিখতে পারছি অনেক ভিডিও দেখে, অডিও শুনে, ব্লগ পড়ে এবং বিশেষ করে মেমরাইজ এ নেটিভ টোন আসবে এমন সব কোর্স করে।

    এখন শেষ জরুরী ধাপটা বাকী।

    একটা সে-ই মানের সফটওয়্যার দরকার যেটা-

    • পুরো আরটিকেলকে একবারে অ্যানালাইজ করবে
    • সেন্টেন্স স্ট্রাকচার ঠিক করবে
    • ফ্রেজের কনটেক্সট ঠিক করবে
    • আর্টিকেলজুড়ে কোন্ ফ্রেজ, শব্দ, বাক্য বেশি ব্যবহার হয়েছে তা বলবে
    • সেই ফ্রেজ/ বাক্য/ শব্দ’র বদলে কী দেয়া যায় সেটা বলবে
    • বুঝতে কষ্ট হয় এমন বাক্যগুলোকে চিহ্নিত করবে এবং সেগুলোর বিকল্প বলবে
    • ক্লিশে ফ্রেজ, বাক্য ও শব্দকে চিহ্নিত করবে এবং সেটার বিকল্প বলবে (ক্লিশে হল, অতি ব্যবহারে যেগুলো গুরুত্বহীন হয়ে গেছে)
    • পুরনোধাঁচের বাতিল শব্দের বদলে নতুন ধাঁচের শব্দ ঠিক করে দিবে
    • যথা সম্ভব সিনোনিম, বাগধারা ও ফ্রেজাল ভার্ব সাজেস্ট করবে
    • আমার ভুলগুলোকে ট্র্যাক করবে এবং সেটা নিয়ে প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিবে।

    বাজারে এই ধরনের কিছু সফটওয়্যার আছে। যেমনঃ

    • গ্রামারলি – মূলত নেটিভদের টারগেট করে বানানো
    • জিনজার সফটওয়্যার (নন-নেটিভদের টারগেট করে বানানো
    • প্রোরাইটিং এইড (অনেক অনেক আরটিকেলের জন্য ব্যবহার করা বেশ কঠিন এবং কষ্টসাধ্য, ইউজার ফ্রেন্ডলি নয়)

    এরাই হল সেরা, এদের ধারকাছে কেউ নাই।

    এই তিনটি সফটওয়্যারই ফ্রিতে পাওয়া যায়। ফ্রিতে অনেক কিছু থাকে। মানুষ টাকা বাঁচাতে গিয়ে মূলতঃ ফ্রিটাই ব্যবহার করে। ওতেই তুষ্ট থাকে।

    গ্রামারলি’র ফ্রি তে যে সুবিধা আছে তা সবচে কম। তারচে একটু বেশি দেয় জিনজার।
    আর সবচে বেশি দেয় প্রোরাইটিং এইড। ৫০০ ওয়ার্ড পর্যন্ত প্রিমিয়ামের সব সুবিধাই দেয়।

    অনুসিদ্ধান্তে এলাম,
    একজন রাইটার কখনোই ফ্রি তে তুষ্ট থাকলে এগুতে পারবে না। যেটাই কেনার, অন্তত ১ বছরের জন্য কেনা উচিত। এখন ৫০-১৫০ ডলার বাঁচাতে গিয়ে হয়তো মিলিয়ন ডলারের তলায় পড়বে। কারণ একজন রাইটারের পক্ষে মিলিয়ন ডলারে চলে যাওয়াটা অলেখক অ্যাফিলিয়েট উদ্যোক্তার চেয়ে অনেক সহজ। এখানে ইনভেস্টমেন্ট যেহেতু নিজের সময় ও মেধা, তাই সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির কোন সীমাবদ্ধতা নেই।

    সুবিধা-অসুবিধা

    গ্রামারলি

    ১. অসম্ভব সহজ ইন্টারফেস।
    ২. যেমনটা বললাম, মূলত নেটিভদের দিকে তাদের খেয়াল।
    ৩. সেন্টেন্স রিকন্সট্রাকশনে যতদূর বুঝলাম জিনজার থেকে পিছিয়ে আছে।
    ৪. বছরের চার্জ ১৪০ ডলার।
    ৫. ভুল থেকে শেখানোর বিষয় আছে কিনা তা নিশ্চিত বলতে পারছি না। সম্ভবত নেই।

    জিনজার

    ১. অনেক সহজ ইন্টারফেস। গ্রামারলির চেয়ে ৫% পিছিয়ে আছে।
    ২. নন-নেটিভদের জন্য অনেক বেশি সাপোর্টিভ।
    ৩. যে কোন সফটওয়্যারের চেয়ে সেন্টেন্স রিকন্সট্রাকশনে এগিয়ে আছে।
    ৪. বছরে চার্জ ৯০ থেকে ১৫০ ডলারের মত। এই আগামী দু চারদিন থাকবে ৬০ ডলার।
    ৫. ভুল থেকে শেখানোর জন্য অসাম ইন্টারফেস।

    প্রোরাইটিং এইড

    ১. বারবার বড় ফাইল নিয়ে কাজ করতে গেলে চোখ ও মনের উপর প্রচন্ড চাপ পড়বে। অতি বেশি লেখা ঠিক করতে গেলে রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে যাবে।
    ২. অকারণে এত বেশি অপশন দেয়, যে নন-নেটিভরা সুবিধা পাবার বদলে তালগোল পাকিয়ে ফেলবে। ইংরেজির সহজপাচ্য লটপটি।
    ৩. গ্রামারলি ও জিনজারের চেয়ে সেন্টেন্স রিকনস্ট্রাকশনে অনেক পিছিয়ে আছে।
    ৪. তবে স্ট্যাটস ও চার্টস এর দিক দিয়ে এগিয়ে আছে।
    ৫. অপশনের আধিক্য অভ্যস্ত ইউজারের জন্য অনেক ভাল ও সুবিধাজনক লাগতে পারে, কিন্তু সেটা ইংরেজিতে অতিদক্ষ হবার পর।
    ৬. প্রাইস সাধারণত ৬০ ডলার বছরে। তবে ২০%-৪০% ছাড়ের কুপন/অ্যাফিলিয়েট লিংক পাওয়া যায়।

    তাহলে কী করা উচিত আমাদের?

    ১. অবশ্যই একটা প্রিমিয়াম ব্যবহার করা উচিত অন্তত এক বছরের জন্য।
    ২. নিতান্তই অসম্ভব হলে একই আরটিকেল ফ্রি গ্রামারলি ইন্টারফেস এ পুরোটা একসাথে, ফ্রি জিনজার ইন্টারফেস এ পুরোটা একসাথে ও সবশেষে ফ্রি প্রোরাইটিং এইডে ৪০০ ওয়ার্ড করে কপি করে করে এডিট করে অভ্যস্ত হওয়া উচিত।
    ৩. আমি মনে করি ১৪০ ডলার বিষয় না, কিন্তু গ্রামারলির চেয়ে জিনজার ৬০/৯০ ডলার হলেও সেটা বেশি হেল্পফুল। গ্রামারলি যদি বেশি হেল্পফুল হতো, তাহলে সেটাই নেয়া উচিত হতো।
    ৪. প্রথম দুটার কোনটাই প্রিমিয়াম না কিনে প্রোরাইটিং এইড প্রিমিয়াম কেনা উচিত না। যদি দুটা প্রিমিয়াম ব্যবহার করতে ভাল লাগে, তখন দ্বিতীয় হিসাবে প্রোরাইটিং এইড কেনা যায়।

    বটমলাইনঃ

    আমি কিনছি জিনজার। সাথে আরো প্রায় ৪/৫ জন কিনছে।

  • ভার্চুয়াল এসিসেন্ট কি আর ভার্চুয়াল এসিস্টেণ্ট হয়ে আয় করা যায়

    যে প্রফেশনালগন রিমোট লোকশন হতে কোন ব্যবসা বা ব্যক্তিকে নানা রকমের সাপোর্ট সার্ভিস দিয়ে থাকেন তাদের ভার্চুয়াল এসিস্টেণ্ট বা ভিএ বলা হয়।

    দ্রুত গতির ইন্টারনেটের প্রসারের ফলে ভার্চুয়াল এসিস্টেন্ট হিসাবে কাজ করা কিংবা ভার্চুয়াল এসিস্টেন্ট হায়ার করার বিষয়টি যেমন সহজ হয়েছে ঠিক তেমনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    এছাড়া যে সমস্থ ব্যবসায়ীদের কর্মী দরকার কিন্তু তারা তাদের এলাকায় তেমন কাউকে পাচ্ছে না কিংবা অফিসেই নিয়োগ করতে পারছে না তাদের কাছে ভারচুয়াল এসিস্টেন্ট হিসাবে কাউকে নিয়োগ করা খুবই প্রয়োজনীয়।

    ভার্চুয়াল এসিস্টেন্টরা কি ধরনের কাজ করে

    যদিও আগে সাপোর্ট আর এডমিনিস্ট্রিটিভ কাজের সাহায্যের জন্যই ভার্চুয়াল এসিস্টেন্টদের হায়ার করা হতো এখন নানারকমের স্কিল কাজের জন্যও ভার্চুয়াল এসিস্টেন্ট হায়ার করে।

    কোন স্কিল স্পেসিফিক না হলে একজন ভিএকে নানা ধরনের কাজ করতে হয়। যেমন একটা ওয়েব সাইটের নানা ধরনের কাজ করতে হয়- পেইজ যোগ করা, সম্পাদনা করা, এসইও করা, ডিজাইন করা ইত্যাদি।

    আবার কাউকে হয়তো কেবল সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল গুলো ম্যানেজ করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে আবার কাউকে সেলস সাপোর্ট দেয়ার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি নির্ভর করে যিনি হায়ার করবেন তার প্রয়োজন আর যিনি কাজ করবেন তিনি কি কি করতে পারেন তার উপর।

    তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রফেশানলাদের স্কিল অনুযায়ী ভিএ স্পেশালাইজেশনের ক্যাটাগরি করা হয়। যেমনঃ

    • ওয়ার্ডপ্রেস ভিএ
    • গ্রাফিস ভিএ
    • সোশ্যাল মিডিয়া ভিএ
    • অফিস ও এডমিন ভিএ
    • ইত্যাদি

    ফ্রিল্যান্সার ও ভার্চুয়াল এসিস্টেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি?

    ফ্রিল্যান্সার একটা ব্রড টার্ম। একজন ফ্রিল্যান্সার যে সার্ভিসটি দেন তিনি সেটি স্বাধীন ভাবে দিয়ে থাকেন। তিনি নির্দিস্ট কোণ ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করেন না। কারো সাথে প্রজেক্ট ভিত্তিক, কারো সাথে ঘন্টা ভিত্তিক চুক্তিতে কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সার রিমোটলি আবার অন সাইটেও উপস্থিত থেকেও কাজ করে থাকেন।

    একজন ভিএ আর ফ্রিল্যান্সারের সাথে খুব বেশি পার্থক্য নেই। ভিএ মুলত ফ্রিল্যান্সিংয়ের একটা অন্তগত বিষয়। একজন ভিএ রিমোটলি কাজ করেন।

  • না পারলে একা অন্যথায় যৌথ ভাবেই ব্যবসা করবেন এমন একটা মাইন্ডসেট তৈরি করুন

    একটা সাইট – এফিয়েলট, অথরিটি ব্লগ, ই-কমার্স, সার্ভিস কিংবা প্রোডাক্ট 
    যাই হোক একটা বিজনেস। এই বিজনেস কে সফল করতে অনেক কিছু লাগে।

    আইডিয়া, স্কিল এবং ফান্ড। নানা ধরনের স্কিল, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। অনেকেই ইন্ডিভিজুয়ালি শুরু করে সফল হয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ মানে ৯০% এর ক্ষেত্রেই দেখা যায় ফেইলড।

    কারন সাফল্য অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। চেষ্টা করলে আর স্কিল থাকলেই সফল হবে এমন কিন্তু না। বাজার, ইকোনোমি, কম্পিটিশন সহ নানা এক্সটারনাল ফ্যাক্টর সাফল্যকে প্রভাবিত করে। এই সবের বেশির ভাগই উদ্যোক্তার নিয়ন্ত্রনে থাকে না।

    তাই অনেক সময় সাফল্য পরিশ্রম, অর্থ আর দক্ষতার উপর নির্ভর করে না। ব্যবসা মানে রিক্স। এই রিক্সকে আগে থেকে কমিয়ে আনার বিষয় সচেস্ট হলে সফল না হলেও ক্ষতি একেবারে কমিয়ে ফেলা যায়। আমার মতে বাংলাদেশী মানুষের একটা বড় সমস্যা হলো যৌথ উদ্যোগে ব্যবসা করা। আমরা সেটা জানি না। পারি না।

    কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। আর বিশ্বাস করলে অবিশ্বাস করার মতো ঘটনা সে ঘটাবেই। এটা সাইকোলজিক্যাল, কালচারাল আর সোসিও ইকোনোমিক্যাল সমস্যা। ব্যবসার জন্য বড় ধরনের দুর্বলতা। এই দুর্বলতাকে সক্ষমতায় রূপান্তর করতে পারলে ব্যবসার যে করুনদশা শুনি আমার মতে অনেক অংশই কমে যাওয়ার কথা। যাবেও।

    আমি অনেক গুলো কারনেই যৌথ অংশীদারে ব্যবসা করার বিষয়ে সবাইকে সিরিয়াসলি চিন্তা করতে বলবো ।

    কারন গুলো কিছু কিছু গত কালের আলোচনায় আমি বলেছি। যারা উপস্থিত ছিল তারা নিশ্চয় সেই গুলো জানে। আরও কিছু পয়েন্ট আছে। সময় করে লিখবো। কারন আমি বিশ্বাস করি কয়েকজনের সম্মিলিত শক্তি এখন অনেকটাই অত্যাবশকীয়।

  • নিশ সাইট তৈরিঃ আগের মতো করে আদৌ সফল হওয়া যাবে?

    আজ সকালে একটা মিটিংয়ে কথা হচ্ছিলো একজন মার্কেটারের সাথে। তিনি বলছেন তিনি একটু হতাশ কারন বেশ কয়েক বছর চেস্টা করছে একটা প্রফিটেবল সাইট তৈরি করতে কিন্তু কখনই সফল হউন নাই। উনি মনে করছেন উনি যা করছেন তা ঠিক না।

    উনার আরো কিছু শিখতে হবে।

    ঢাকায় মিটআপে আমি এই কথাটাই বলেছিলাম যে আপনারা যারা এখনো ২০১২ সালের নিশ পারসুইটের স্ট্রাটেজি ফলো করে নিশ সাইট তৈরি করার চেস্টা করছেন তাদের সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

    ২০১২ সালের গুগল এলগরিদম আর ২০১৯ সালের এলগরিদম একই না। আবার কম্পিটিশনও অনেক চেঞ্জ। তখন মাত্র কয়েকটা বড় রিভিও সাইট ছিলো যেমন টপটেনরিভিও, কনজিউমাররিপোর্টস ইত্যাদি।

    এখন এই মানের বহু সাইট রয়েছে।

    দ্যা সুইটহোম (ওয়ারকাটার) আলাদা একটা মডেলের রিভিও সাইট। তাদের সাফল্য দেখে অনেকেই একই মডেলে সাইট তৈরি করেছে।

    বড় বড় সাইট গুলোও এখন ছোট ছোট প্রোডাক্টকে নিয়েও রিভিও করে।

    অনেক ছোট সার্চ ভলিয়মের কিওয়ার্ড নিয়ে রিভিও লেখে।

    তাদের যে পরিমানে বাজেট থাকে তাতে এখন ৫০০/১০০০ ডলার ইনভেস্ট করে সাইট তৈরি করে সফল হওয়া অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং।

    এছাড়া গুগলের এলগরিদম এখন ভিন্ন। আগে লং টেইল কিওয়ার্ডকে টার্গেট করে র‍্যাঙ্ক করা গেলেও এখন ঠিক সেই ভাবে র‍্যাঙ্ক করা কঠিন।

    গুগলের EAT ফ্যাক্টর একটা সিগনাল দিচ্ছে যে কে কনটেণ্ট লিখছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

    আরো মজার বিষয় হচ্ছে গ্রামাটিক্যাল এররো একটা নেগেটিভ র‍্যাঙ্ক ফ্যাক্টর। খুব হাই বাউন্স রেট একটা নেগেটিভ ফ্যাক্টর। ৫০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেল ৫ ডলার কিংবা ১০ ডলার দিয়ে লিখে নিশ সাইট করার সুযোগ এখন নাই বললেই চলে।

    কোয়ালিটি কনটেণ্ট এখন থাকতেই হবে।

    লং ফরম কনটেণ্টই এখন স্টান্ডার্ড। গুগল লাইক করে। এছাড়া নানা রকম লং টেইল কিওয়ার্ড দিয়ে র‍্যাঙ্ক করার সুযোগ থাকে।

    আমার মতে এখন কেউ ১০০০০ ডলারের নিচে খরচ করার টার্গেট করলে ১০০ জনের মধ্যে ১ জন হয়তো সফল হবে। বাট সেটাও ফিউচারে রিস্ক থাকবে।

    রিসেন্ট ট্রেন্ড হলো টপ টেন প্রোডাক্টের রিভিও পেইজ গুলো মিনিমাম ৪০০০ ওয়ার্ড হয়। অনেক ক্ষেত্রে ৫০০০ ওয়ার্ড।

    ৫০০০ ওয়ার্ডের একটা কনটেণ্ট তৈরিতে খরচ কমপক্ষে ১৫০ ডলার।

    ১০০০০ ডলারের হয়তো ৬৬টা কনটেণ্ট পাবলিশ করা যাবে।

    লিঙ্ক সহ অন্য খরচ কোথা থেকে আসবে ?

    একটা কোয়ালিটি লিঙ্ক তৈরি করতে কমপক্ষ্যে ৫০ থেকে ৭০ ডলার লাগবে।

    খেয়াল করে দেখুন ১০,০০০ ডলারেও হচ্ছে না।

    লিঙ্ক তৈরির জন্য হয়তো ৩ থেকে ৪ হাজার ডলার বাজেট রাখতে হচ্ছে।

    এরপর যে আয় হবে তা যদি কারো সাইড ইঙ্কাম হয় তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু সাইটের আয় তার মূল ইঙ্কাম হলে একটু রিস্ক থাকে। কারন সাইট তৈরি করে আয় শুরু হলেও সব আয় নিজের জন্য ব্যয় করা যাবে না। সাইটের ক্রমাগত উন্নোয়নে ব্যয় করতে হবে।

    সব কিছু বিবেচনা করলে ৩০ থেকে ৪০ হাজার ডলার টার্গেট করতে হবে।

    এই টাকাও ওয়েস্ট হবে যদি নিচের বিষয় গুলোতে টপ লেভেলের দক্ষতা না থাকেঃ

    • কিওয়ার্ড রিসার্স ও টপিক সিলেশন
    • কনটেণ্ট ক্রিয়েশন
    • এসইও 
    • লিঙ্ক
    • সোশ্যাল ট্রাফিক জেনেরেশন
    • মনেটাইজেশন স্ট্রাটেজি

    সমস্যা হলো একা এতো টাকার রিস্ক নেয়া সম্ভব অনেকের ক্ষেত্রে সম্ভব হবে না। তাই আমার মতে একাধিক পার্টনার নিয়ে একটা ফান্ড তৈরি করে এগুতো হবে। এতে অনেক দিকে সুবিধা আছে। দেখা যায় একটা সাইট সফল করার জন্য অনেক সময় লাগে, অনেক স্কিল লাগে।

    একা সামলিয়ে উঠা সম্ভব না। একাধিক উদ্যোক্তা থাকলে একেকজন একটা অংশের দ্বায়িত্ব নিয়ে কাজ করলে বিষয় গুলো সহজ হয়।

    অনেক বাজেট নিয়ে সাইট তৈরি করার পর যদি ভালো না করে তাহলে কি হবে?

    কেউ ৫০,০০০ ডলার খরচ করে সাইট তৈরি করলে সেই সাইট থেকে ২ হাজার ডলার আয় হলেই তার কোন রিক্স থাকে না। কারন ২০০০ ডলার আয় হয় এমন সাইটের বিক্রয় মূল্য ৬০০০০ ডলার হবে।

    ৫০০০০ ডলার খরচ করলে আয়ের টার্গেট করা যদি মিনিমাম ৫ হাজার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার চেয়ে বেশি হবে।

    রিক্স এড়ানোর জন্য অনেক স্ট্রাটেজি নেয়া যায়। তবে একটা বিষয় আমি সাজেস্ট করবো সেটা হলো স্টার্টআপ গুলো কিভাবে তৈরি হয় সেই বিষয় গুলো নিয়ে পড়াশুনা করা।

  • কনটেণ্ট ইজ কিংঃ কনটেণ্ট তৈরির স্কিলের গুরুত্ব কেমন?

    কনটেন্ট তৈরি করার স্কিল অনলাইনে যে কোন কিছু করার জন্য আপনার মতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ? মানে কতটা ভ্যালুয়েবল? কতটা রিওয়ার্ডিং? এমন একটা প্রশ্ন করেছিলাম বিডিএসইও গ্রুপে। অনেকেই এই স্কিলের গুরুত্ব সম্পর্কে মত দিয়েছে।

    আমার মতেঃ

    কনটেন্ট ক্রিয়েশন অনলাইনের জন্য খুবই গুরুতপূর্ণ। খেয়াল করে দেখবেন দেশে অনেক প্রোগ্রামার তৈরি হয়েছে, ডিজাইনার তৈরি হয়েছে, মার্কেটার তৈরি হয়েছে, সেই অর্থে কনটেন্ট ক্রিয়েটর/রাইটার তৈরি হয়নি।

    কারন অনেক হতে পারে। কনটেণ্ট তৈরি করার দক্ষতা তৈরি একটু ভিন্ন। ইংরেজীতে আমাদের দূর্বলতা হয়তো একটা সমস্যা। আরেকটা সমস্যা ছিলো আমাদের এডুকেশন সিস্টেমে। মুখস্থ করে পরীক্ষা দেয়ার কারনে সৃজনশীলতা কাজ করে না।

    এই গুলো সবই অভারকাম করা যায় যদি চেস্টা করা হয়।

    কনটেণ্ট নিয়ে তেমন আলোচনা হয় না। গুরুত্ব দেয়া হয় না। সুযোগের কথা, প্রয়োজনীয়তার কথা নিয়ে কথা হয় না। কেউই করে না।
    যারা এন্ট্রেপ্রেনিয়র তারা বলে না। যারা সিনিয়র তারাও বলে না।

    ওয়েবের টপ স্কিল হলো কনটেণ্ট তৈরি করার ক্ষমতা। কেউ যদি তা করতে পারে ডেফিনিটলি সে আর্ন করবেই। ডিজাইনার, মার্কেটার, প্রোগ্রামার যাই হোক তার রাইটিং স্কিল লাগবে নিজেকে তুলে ধরতে। তার সার্ভিস সেল করতে।

    না পারলে করা যায় না তা না। বিভিন্ন ভাবেই হয়। প্রত্যেকে আসলে কনটেণ্ট তৈরি করে। ডিজাইনই একটা কনটেণ্ট। স্ক্রিপ্টই একটা কনটেন্ট।

    কিন্তু সেই কনটেণ্টকে মানুষের কাছে পৌছানোর জন্য যে কনটেণ্ট সেটা করতে পারলে সাফল্য অনেক বেশি আসে।

    লেখা অর্ডিয়েন্স তৈরি করে। অর্ডিয়েন্স তৈরি করতে পারলে নানা রকমের আয়ের সুযোগ থাকে। ওয়েবে কনটেণ্টই কিং। সো এই বিষয়টা খুবই গুরুত্ব দিয়ে দক্ষতা তৈরির চেস্টা করা উচিত।

    বিডিএসইও গ্রুপের আলোনাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।