Category: কনটেণ্ট

  • স্যাস থেকে ভালো আয় করার সঠিক সময় কি এখন? সুযোগ ও  বাস্তবতা

    স্যাস থেকে ভালো আয় করার সঠিক সময় কি এখন? সুযোগ ও  বাস্তবতা

    প্রযুক্তি জগতে প্রায়ই শোনা যায়,“SaaS শেষ হয়ে যাচ্ছে”, আবার কেউ বলেন—“এটাই SaaS তৈরির সেরা সময়।” 

    দুই বক্তব্যই আসলে বাস্তবতার একপাশ। 

    সত্যটা হলো, SaaS হারিয়ে যায়নি, এটি দ্রুত রূপ বদলাচ্ছে। 

    আগে সফটওয়্যার বানানো মানে ছিল বড় টিম, দীর্ঘ সময় এবং বড় বিনিয়োগ। 

    এখন AI, ক্লাউড এবং ওপেন টুলের কারণে একজন নির্মাতাও দ্রুত একটি কার্যকর সফটওয়্যার তৈরি করতে পারে। 

    তাই অনেকেই প্রশ্ন করছেন, এখন কি সত্যিই SaaS থেকে ভালো আয় করা সম্ভব? 

    এই লেখার মূল প্রশ্নও সেটিই। 

    কিছু নির্দিষ্ট কারণে ও সঠিক পদ্ধতিতে কাজ করলে SaaS থেকেও ভালো পরিমাণ টাকা আয় করা সম্ভব। 

    সফটওয়্যার তৈরির খরচ কমে যাওয়ায় সুযোগ বেড়েছে

    SaaS ব্যবসার একটি বড় সুবিধা সবসময়ই ছিল—একবার প্রোডাক্ট তৈরি হলে সেটি বারবার বিক্রি করা যায়। 

    কিন্তু আগে সেই প্রোডাক্ট তৈরি করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন ও ব্যয়বহুল কাজ। আজ সেই বাধা অনেকটাই কমেছে।

    ক্লাউড অবকাঠামো, ওপেন সোর্স টুল, এবং AI সহায়ক ডেভেলপমেন্টের কারণে সফটওয়্যার তৈরি করা আগের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং সস্তা হয়েছে। 

    এর ফলে ছোট দল বা এমনকি একজন নির্মাতাও একটি কার্যকর প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারেন।

    এর অর্থ হচ্ছে, ব্যবসা শুরু করতে বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন কমে গেছে। 

    ছোট আকারে শুরু করেও একটি SaaS ব্যবসা লাভজনক করা সম্ভব—যা আগে তুলনামূলকভাবে কঠিন ছিল।

    সাব-নিশ বাজারে কাজ করলে প্রতিযোগিতা কমে

    অনেক নতুন উদ্যোক্তা একটি বড় বাজার লক্ষ্য করে সফটওয়্যার তৈরি করতে চান। 

    কিন্তু বড় বাজারে সাধারণ সমাধান তৈরি করলে প্রতিযোগিতা খুব দ্রুত বেড়ে যায়।

    এর চেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো—বড় বাজারের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট সাব-নিচ বেছে নেওয়া।

    ধরা যাক “ই-কমার্স” একটি বড় বাজার। কিন্তু এর ভেতরে “ছোট অনলাইন স্টোরের ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট”, বা “ফেসবুক কমার্স বিক্রেতাদের অর্ডার ট্র্যাকিং”—এগুলো সাব-নিচ সমস্যা।

    এই ধরনের সমস্যার জন্য তৈরি সফটওয়্যার সাধারণত দ্রুত গ্রহণযোগ্য হয়। 

    কারণ ব্যবহারকারীরা মনে করেন—এই সফটওয়্যারটি ঠিক তাদের সমস্যার জন্যই তৈরি।

    যেখানে টাকা হাত বদলায়, সেখানে সফটওয়্যার সবচেয়ে মূল্যবান

    SaaS সফল হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো—ব্যবসার সেই জায়গায় সমাধান দেওয়া যেখানে সরাসরি অর্থের সাথে সম্পর্ক আছে।

    উদাহরণ হিসেবে একটি স্থানীয় সার্ভিস ব্যবসা ধরা যাক। তাদের কাজের ধাপগুলো সাধারণত এমন হয়:

    লিড পাওয়া → গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ → কাজের মূল্য নির্ধারণ → কোটেশন পাঠানো → কাজ সম্পন্ন → পেমেন্ট সংগ্রহ।

    এই ধাপগুলোর মধ্যে যেসব জায়গায় সময় বেশি লাগে বা ভুল বেশি হয়, সেগুলো সফটওয়্যার দিয়ে সহজ করা যায়। 

    বিশেষ করে যেখানে টাকা বা সিদ্ধান্ত জড়িত—সেই জায়গাগুলোতে ব্যবসা সফটওয়্যারের মূল্য দ্রুত বুঝতে পারে।

    এ কারণেই অনেক সফল SaaS পণ্য আসলে ব্যবসার কোনো নির্দিষ্ট কাজের ধাপকে সহজ করে দেয়।

    কনটেন্ট ও অডিয়েন্স এখন SaaS ব্যবসার বড় সুবিধা

    একসময় সফটওয়্যার তৈরি করা যতটা কঠিন ছিল, তার চেয়ে বেশি কঠিন ছিল সেটি মানুষের কাছে পৌঁছানো। এখন সেই অবস্থাও বদলেছে।

    আজ একজন নির্মাতা যদি একটি নির্দিষ্ট বাজার নিয়ে নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করেন—যেমন LinkedIn, X বা YouTube-এ—তাহলে ধীরে ধীরে একটি অডিয়েন্স তৈরি করা সম্ভব।

    এই অডিয়েন্সের দুটি বড় সুবিধা আছে:

    প্রথমত, প্রোডাক্ট লঞ্চ করার সময় সম্ভাব্য ব্যবহারকারীরা ইতিমধ্যেই আপনাকে চেনেন।

    দ্বিতীয়ত, তাদের ফিডব্যাক ব্যবহার করে প্রোডাক্ট দ্রুত উন্নত করা যায়।

    অনেক নতুন SaaS প্রতিষ্ঠাতা এখন “মিডিয়া + সফটওয়্যার” মডেল ব্যবহার করছেন—যেখানে কনটেন্টই মূলত প্রথম ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল।

    একটি ছোট বাস্তব উদাহরণ

    ধরা যাক একটি ছোট শহরের রুফিং সার্ভিস ব্যবসা আছে। প্রতিদিন মালিককে কয়েকটি কাজ করতে হয়:

    • নতুন লিড চেক করা
    • গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করা
    • সাইট ভিজিট শিডিউল করা
    • কোটেশন তৈরি করা
    • ফলোআপ করা

    এই কাজগুলো অনেক সময় ম্যানুয়ালি করতে হয় এবং এতে সময় নষ্ট হয়।

    এখন যদি কেউ একটি ছোট সফটওয়্যার তৈরি করে যা—

    • সব লিড এক জায়গায় আনে
    • স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলোআপ পাঠায়
    • কোটেশন টেমপ্লেট তৈরি করে

    তাহলে সেই সফটওয়্যারটি ব্যবসার সময় বাঁচাতে পারে। সময় বাঁচলে ব্যবসার মালিক আরও বেশি কাজ নিতে পারেন। এখানেই সফটওয়্যারের মূল্য তৈরি হয়।

    এই ধরনের ছোট সমস্যা সমাধান থেকেই অনেক SaaS ব্যবসা শুরু হয়েছে।

    নতুনদের জন্য একটি বাস্তব শুরু

    যারা SaaS নিয়ে ভাবছেন, তাদের জন্য শুরুটা খুব জটিল হওয়ার প্রয়োজন নেই।

    প্রথমে একটি বাজার নির্বাচন করুন। তারপর সেই বাজারে মানুষ প্রতিদিন কোন কাজগুলো করেন তা বোঝার চেষ্টা করুন। কাজের ধাপগুলো লিখে ফেলুন।

    এরপর দেখুন কোন ধাপগুলো বারবার করা হয় এবং কোন জায়গায় সময় বেশি লাগে। সেখানেই সফটওয়্যার সমাধানের সুযোগ থাকতে পারে।

    প্রথমে ছোটভাবে শুরু করা এবং বাস্তব ব্যবহারকারীর সমস্যা বোঝা—এই দুটি বিষয় SaaS ব্যবসার ভিত্তি তৈরি করে।

    তাহলে প্রশ্নে ফিরে আসা যাক—এখন কি SaaS থেকে ভালো টাকা করার সময়?

    বাস্তবতা হলো, সুযোগ আগের চেয়ে বেশি। 

    সফটওয়্যার তৈরির খরচ কমেছে, অডিয়েন্স তৈরি করা সহজ হয়েছে, এবং ব্যবসাগুলো তাদের কাজ সহজ করতে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে আগ্রহী।

    তবে এই সুযোগ কেবল তাদের জন্যই কাজে লাগবে যারা বাস্তব সমস্যা বুঝে সমাধান তৈরি করতে পারবেন। 

    বড় আইডিয়া দিয়ে শুরু করার প্রয়োজন নেই; ছোট কিন্তু নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান থেকেই অনেক বড় SaaS ব্যবসা তৈরি হয়েছে।

    SaaS হয়তো বদলাচ্ছে, কিন্তু যারা পরিবর্তনের সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবেন—তাদের জন্য এটি এখনও একটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক সুযোগ।

  • এআইয়ের যুগেও যে স্কিলগুলো আপনাকে অপ্রতিস্থাপনীয় রাখবে

    এআইয়ের যুগেও যে স্কিলগুলো আপনাকে অপ্রতিস্থাপনীয় রাখবে

    এখন প্রায় সবাই একটাই প্রশ্ন করছে—এআই কি আমাদের কাজ নিয়ে নেবে? 

    প্রশ্নটা অযৌক্তিক নয়। 

    কারণ গত কয়েক বছরে আমরা দেখেছি, লেখা, গবেষণা, ডিজাইন, কোডিং, ডেটা বিশ্লেষণ—অনেক ক্ষেত্রেই এআই মানুষের কাজের বড় অংশে ঢুকে গেছে। 

    কিন্তু এখানে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন আছে: আপনি কীভাবে এমন একজন মানুষ হবেন, যাকে সহজে রিপ্লেস করা যাবে না? 

    ভবিষ্যতে টিকে থাকবে শুধু তারা, যারা এআইকে ভয় না পেয়ে এর সাথে কাজ করতে শিখবে। তবে শুধু টুল ব্যবহার জানলেই হবে না। 

    কিছু গভীর স্কিল আছে, যেগুলো মানুষকে আলাদা করে। 

    এ লেখায় আমরা সেই স্কিলগুলো নিয়ে কথা বলব—যেগুলো শুধু আজ নয়, আগামী দশকেও আপনার ক্যারিয়ারকে শক্ত ভিত দিতে পারে।

    আসল লড়াইটা টুলের সঙ্গে নয়, কাজ করার ধরন নিয়ে

    অনেকেই মনে করেন, এআই যুগে বাঁচতে হলে নতুন নতুন টুলের নাম জানতে হবে, কোন অ্যাপ কী করে তা মুখস্থ রাখতে হবে, আর যত বেশি সম্ভব অটোমেশন শিখতে হবে। 

    এগুলো অবশ্যই দরকার। কিন্তু এগুলো মূল কথা নয়।

    কারণ টুল বদলায় খুব দ্রুত। আজ যে মডেল জনপ্রিয়, ছয় মাস পরে সেটি হয়তো আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ থাকবে না। 

    কিন্তু যে মানুষ সমস্যা বুঝতে পারে, সঠিকভাবে নির্দেশ দিতে পারে, আউটপুট যাচাই করতে পারে, এবং নতুন কিছুকে নিজের কাজে লাগাতে পারে—তার মূল্য কমে না।

    এআই আপনার জায়গা নেবে কি না, সেটার চেয়ে বড় বিষয় হলো: আপনি কি এআই ব্যবহার করে নিজের কাজের মান ও গতি বাড়াতে পারছেন? যদি পারেন, তাহলে আপনি শুধু টিকে থাকবেন না; বরং অনেক ক্ষেত্রেই অন্যদের চেয়ে দ্রুত এগিয়ে যাবেন।

    ১. প্রবলেম ফ্রেমিং: আসল সমস্যাটা ধরতে পারার ক্ষমতা

    এআই নিয়ে নতুনদের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো—তারা টুল খুলেই বলে, “এটা লিখে দাও”, “ওটা ঠিক করে দাও”, “এই বিষয়ে রিসার্চ করো”। 

    কিন্তু কী লিখতে হবে, কার জন্য লিখতে হবে, কোথায় ব্যবহার হবে, ভালো ফল বলতে কী বোঝায়—এসব পরিষ্কার না থাকলে এআইও ভালো ফল দিতে পারে না।

    এখানেই আসে problem framing। অর্থাৎ, আপনি ঠিক কী সমাধান করতে চাইছেন, সেটাকে পরিষ্কার ভাষায় ধরতে পারা।

    এই স্কিল শুধু এআই ব্যবহারের জন্য নয়, পুরো ক্যারিয়ারের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। 

    অফিসে অনেক মানুষ আটকে যায় এই জায়গায়। তারা কাজ করে, কিন্তু সমস্যাকে ভাষায় ধরতে পারে না। ফলে সিদ্ধান্ত ধীর হয়, টিম কনফিউজড থাকে, আর ফলও মাঝারি মানের হয়।

    ধরুন, আপনি একটি অনলাইন কোর্স বিক্রি করেন। 

    আপনি যদি এআইকে শুধু বলেন, “একটা মার্কেটিং পোস্ট লিখে দাও”, তাহলে সাধারণ ধরনের লেখা পাবেন। 

    কিন্তু যদি বলেন, 

    “বাংলাদেশের ১৮–২৫ বছরের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পোস্ট লিখো, যেখানে বোঝানো হবে কেন AI skill এখন চাকরির বাজারে জরুরি, এবং শেষে Prayogik-এর কোর্সের দিকে আগ্রহ তৈরি করতে হবে”—তাহলে ফল অনেক বেশি কার্যকর হবে।

    অর্থাৎ, এআইয়ের আগে দরকার মানুষের স্পষ্ট চিন্তা।

    নিজেকে তিনটি প্রশ্ন করুন:

    • আমি আসলে কী সমাধান করতে চাই?
    • এটা কার জন্য?
    • সফল ফলাফল দেখতে কেমন হবে?

    যে ব্যক্তি এই তিনটি প্রশ্নের ভালো উত্তর দিতে পারে, সে এআই যুগে অনেক এগিয়ে থাকবে।

    ২. এআই লিটারেসি ও প্রম্পটিং: শুধু টুল চালানো নয়, টুলকে কাজে লাগানো

    এখন prompting শব্দটা এত বেশি ব্যবহার হয় যে অনেক সময় এটাকে হালকা স্কিল মনে হয়। কিন্তু বাস্তবে এটি এখন নতুন ধরনের ডিজিটাল সাক্ষরতা।

    একসময় যেমন ইমেইল লেখা, গুগলে খোঁজা, এক্সেল ব্যবহার করা—এসব কাজের মৌলিক দক্ষতা ছিল, এখন তেমনই এআই ব্যবহার করে সঠিক ফল বের করে আনার দক্ষতা জরুরি হয়ে যাচ্ছে। 

    এআইকে কীভাবে নির্দেশ দিতে হয়, কীভাবে context দিতে হয়, কীভাবে উত্তর refine করতে হয়—এসব না জানলে টুল সামনে রেখেও অনেকেই খুব সাধারণ মানের ফল পায়।

    ভালো prompting মানে শুধু বড় prompt লেখা নয়। বরং এর মধ্যে আছে:

    • কাজের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করা
    • Output format ঠিক করা
    • Role assign করা
    • Example দেওয়া
    • Revision চাওয়া
    • সীমাবদ্ধতা জানানো

    ধরুন, আপনি একজন freelancer। 

    আপনি এআইকে বললেন, “একটা proposal লিখো”।

    অন্যদিকে আরেকজন বলল, “আমি Upwork-এ ছোট Shopify store-এর জন্য product description optimization service দিচ্ছি। একজন ব্যস্ত store owner-এর জন্য ১২০ শব্দের proposal লেখো। Tone হবে professional but friendly। প্রথম দুই লাইনে pain point ধরো, তারপর brief solution, তারপর CTA।” 

    দ্বিতীয় ব্যক্তি প্রায় সবসময় এগিয়ে থাকবে।

    এই কারণেই prompting এখন hack না, বরং skill।

    বাংলাদেশে যারা freelancing, content creation, customer support, digital marketing, development, research—এসব যেকোনো ক্ষেত্রে আছেন, তাদের জন্য AI literacy দ্রুতই মৌলিক দক্ষতায় পরিণত হচ্ছে।

    ৩. ওয়ার্কফ্লো অর্কেস্ট্রেশন: একেকটা টুল আলাদা নয়, পুরো সিস্টেম হিসেবে ভাবা

    এখানেই অনেক বড় পার্থক্য তৈরি হয়।

    বেশিরভাগ মানুষ এআইকে ব্যবহার করে একক কাজের জন্য। 

    যেমন—একটা পোস্ট লেখা, একটা ছবি বানানো, একটা সারাংশ করা। 

    কিন্তু শক্তিশালী ব্যবহারকারীরা এআইকে “একটা assistant” হিসেবে না দেখে “একটা system” হিসেবে ভাবতে শুরু করেছেন।

    এটাই workflow orchestration

    অর্থাৎ, আপনি একাধিক কাজকে এভাবে সাজাচ্ছেন যাতে এআই আপনার কাজের বিভিন্ন ধাপ সামলাতে পারে। যেমন:

    • একটি মডেল দিয়ে research
    • আরেকটি দিয়ে draft
    • অন্য একটি দিয়ে rewrite
    • তারপর verification
    • তারপর final format conversion

    একজন ব্যক্তি এখন এমনভাবে কাজ সাজাতে পারেন যে, আগে যেখানে ৪–৫ জনের আউটপুট লাগত, সেখানে তিনি একাই অনেকদূর যেতে পারেন।

    এই স্কিল উদ্যোক্তা, marketer, content team, researcher, recruiter—সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। 

    কারণ ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা শুধু “কে বেশি জানে” তা দিয়ে হবে না; বরং “কে কম সময়ে ভালো system বানাতে পারে” সেটিও বড় বিষয় হবে।

    ধরুন, Prayogik-এর জন্য একটি long-form article থেকে আপনি করতে চান:

    • Website article
    • Facebook post
    • LinkedIn post
    • Short video script
    • Email newsletter
    • Course teaser copy

    যে ব্যক্তি এই পুরো workflow এআই দিয়ে organize করতে পারে, সে একটিমাত্র আইডিয়া থেকে বহু আউটপুট বের করতে পারবে। এখানেই leverage তৈরি হয়।

    ৪. ভেরিফিকেশন ও ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং: এআই কনফিডেন্ট হলেও সবসময় ঠিক নয়

    এআইয়ের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিকগুলোর একটি হলো—এটি ভুল হলেও অনেক সময় খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দেয়। যারা নতুন, তারা এই জায়গায় সবচেয়ে বেশি ফাঁদে পড়ে।

    একটি সুন্দর ভাষায় লেখা উত্তর সবসময় নির্ভুল উত্তর নয়।

    তাই ভবিষ্যতে খুব মূল্যবান হয়ে উঠবে verification এবং critical thinking। অর্থাৎ, আপনি শুধু উত্তর নিলেন না; বরং যাচাই করলেন, তুলনা করলেন, source দেখলেন, কোথায় uncertainty আছে বুঝলেন।

    এটি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ:

    • Research-এ
    • Health-related content-এ
    • Finance বা legal তথ্যের ক্ষেত্রে
    • Client work-এ
    • Public content publishing-এ

    একটি ভালো অভ্যাস হতে পারে:

    • প্রথমে একটি মডেল থেকে উত্তর নিন। 
    • তারপর আরেকটি মডেল দিয়ে বলুন—এই উত্তরে কী ভুল, কী missing, কী misleading হতে পারে।
    • এরপর reliable source দিয়ে cross-check করুন।

    এআই যুগে “দ্রুত উত্তর পাওয়া” সবাই পারবে। 

    কিন্তু “ভুলের মধ্যে থেকেও সঠিক সিদ্ধান্তে আসা” সবাই পারবে না। 

    আর এখানেই মানুষের বিচারবোধ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

    যে ব্যক্তি যাচাই ছাড়া publish করে, তার credibility ধীরে ধীরে কমে যাবে। 

    আর যে ব্যক্তি দ্রুততার সাথে accuracy-ও ধরে রাখতে পারে, তার চাহিদা বাড়বে।

    ৫. ক্রিয়েটিভ থিঙ্কিং: শেষ ২০ শতাংশ, যেখানে মানুষ এখনো আলাদা

    এআই draft দিতে পারে। variation দিতে পারে। structure দিতে পারে। 

    কিন্তু কোন idea meaningful, কোন angle নতুন, কোন কথাটা মানুষের মনে গেঁথে যাবে—এই সিদ্ধান্ত এখনো মানুষেরই।

    এখানেই creative thinking-এর মূল্য।

    অনেকে ভুল করে ভাবেন creativity মানে শুধু শিল্প বা ডিজাইন। আসলে তা নয়। 

    একটি business idea-কে নতুনভাবে দেখা, পুরোনো সমস্যার নতুন framing দেওয়া, দুইটি আলাদা ধারণাকে মিলিয়ে নতুন কিছু বানানো—এসবই creativity।

    এআই আপনাকে raw material দেয়। কিন্তু কোনটা নেবেন, কোনটা বাদ দেবেন, কীভাবে মানে তৈরি করবেন—সেটা আপনার কাজ।

    এই স্কিল content creator, marketer, founder, teacher, product builder—সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। 

    কারণ ভবিষ্যতে average quality output খুব সহজেই তৈরি হবে। ফলে আলাদা হয়ে উঠতে হলে দরকার হবে taste, angle, and human judgment।

    ধরুন, সবাই “AI skills কেন জরুরি” এই বিষয়ে পোস্ট লিখছে। 

    কিন্তু আপনি যদি এটাকে “বাংলাদেশের HSC পাস করা একজন তরুণ ২০২৬ সালে কী শিখলে চাকরিযোগ্য হতে পারে” এই angle-এ আনেন, তাহলে সেটি অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও প্রভাবশালী হতে পারে।

    AI assembles. মানুষ meaning তৈরি করে।

    ৬. রিপারপাসিং ও মাল্টি-ফরম্যাট সিনথেসিস: এক আইডিয়া থেকে অনেক আউটপুট বের করার ক্ষমতা

    এখন কনটেন্ট, মার্কেটিং, শিক্ষা—সব জায়গাতেই একটি বড় advantage হলো একটি ভালো আইডিয়াকে অনেক format-এ ব্যবহার করতে পারা

    এটি শুধু content creator-দের জন্য নয়। একজন freelancer, coach, teacher, startup founder, বা agency owner—সবার জন্যই এটি শক্তিশালী skill।

    ধরুন, আপনার কাছে একটি webinar আছে। আপনি সেখান থেকে করতে পারেন:

    • Long article
    • Short clips
    • Quote cards
    • LinkedIn insights post
    • X thread
    • Newsletter
    • Course lesson note
    • Sales page copy

    আগে এসব করতে অনেক সময় লাগত। 

    এখন এআই দিয়ে কাজের গতি বাড়ানো যায়। 

    কিন্তু কোন format-এ কীভাবে idea ভাঙতে হবে, কোথায় কী emphasize করতে হবে, audience অনুযায়ী tone কী হবে—এগুলো এখনো মানুষের চিন্তার জায়গা।

    এই skill-এর বড় শক্তি হলো leverage। আপনি একই পরিশ্রম থেকে বহু গুণ বেশি reach পেতে পারেন।

    Prayogik-এর মতো educational brand-এর জন্যও এটি খুব জরুরি। 

    কারণ একটি ভালো explain-er article থেকে ভিডিও script, carousel, short form clips, email sequence—অনেক কিছু তৈরি করা যায়। 

    এতে brand grow করে, consistency বাড়ে, এবং একটিমাত্র জ্ঞানসম্পদ বহু জায়গায় ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

    ৭. কন্টিনিউয়াস লার্নিং: শেখার ক্ষমতা

    সবশেষে আসে হয়তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ skill—continuous learning

    আগের যুগে একটা ডিগ্রি, একটা skill set, আর একটি ক্যারিয়ার ট্র্যাক নিয়ে দীর্ঘ সময় চলা যেত। 

    এখন সেই model দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের পর আরও স্পষ্ট হবে যে, একবার শিখে থেমে থাকলে চলবে না।

    এখন সবচেয়ে মূল্যবান মানুষ তারা, যারা নতুন জিনিস শিখতে পারে, পুরোনো পদ্ধতি ছাড়তে পারে, নতুন টুল নিয়ে পরীক্ষা করতে পারে, এবং প্রয়োজন হলে নিজের কাজের ধরন বদলাতে পারে।

    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। learning মানে শুধু short video দেখে excitement নেওয়া নয়। সত্যিকারের শেখার মধ্যে কিছু friction থাকে। মানে:

    • নিজে চেষ্টা করা
    • ভুল করা
    • আবার করা
    • Notes রাখা
    • Practice করা
    • বাস্তব কাজে ব্যবহার করা

    এআই আপনার শেখা সহজ করতে পারে। 

    কিন্তু যদি আপনি নিজের চিন্তা, ধৈর্য, আর problem-solving muscle হারিয়ে ফেলেন, তাহলে সেটা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করবে।

    যারা শেখার অভ্যাস ধরে রাখবে, তারাই career switch, industry shift, এবং নতুন opportunity ধরতে পারবে।

    নতুনরা কীভাবে এই স্কিলগুলো তৈরি করবেন

    সবকিছু একসাথে শিখতে যাওয়ার দরকার নেই। বরং ধীরে, পরিকল্পনা করে এগোনো ভালো।

    শুরু করতে পারেন এভাবে:

    প্রথমে একটি skill বেছে নিন। যেমন problem framing বা AI literacy। এক সপ্তাহ শুধু সেটার ওপর কাজ করুন।

    প্রতিদিন ছোট কাজ নিন। যেমন:

    • একটি vague problem-কে clear brief-এ রূপান্তর করা
    • একই কাজের জন্য ৩ ধরনের prompt লেখা
    • AI output তিনটি source দিয়ে যাচাই করা
    • একটি long article থেকে ৫টি content asset তৈরি করা

    এরপর আপনার কাজগুলো document করুন। 

    কী prompt কাজ করল, কী কাজ করল না, কোন workflow time save করল—এসব লিখে রাখুন। 

    এতে আপনার নিজস্ব operating system তৈরি হবে।

    শুধু content consume করলে হবে না। Build করতে হবে। Test করতে হবে। Reflect করতে হবে।

    এআই যে কাজের দুনিয়া বদলে দিচ্ছে, সেটা এখন আর ভবিষ্যতের কথা নয়; এটি বর্তমান বাস্তবতা।

    কিন্তু এই পরিবর্তন মানেই সবাই বাদ পড়ে যাবে—এমন নয়। 

    বরং যারা এআইকে সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করতে শিখবে, যারা সমস্যা ঠিকভাবে ধরতে পারবে, যাচাই করতে পারবে, নতুনভাবে ভাবতে পারবে, এবং শেখা থামাবে না—তারাই সবচেয়ে এগিয়ে যাবে।

    তাই আসল প্রশ্ন “এআই কি আমাকে রিপ্লেস করবে?” নয়। 

    আসল প্রশ্ন হলো, আমি কি এমন স্কিল গড়ে তুলছি, যেগুলো আমাকে আরও মূল্যবান করে তুলবে?

    ভবিষ্যতের সুযোগ তাদের জন্য, যারা শুধু টুল ব্যবহার করে না—বরং টুলের ওপরে নিজের বিচার, সৃজনশীলতা, এবং শেখার ক্ষমতা বসাতে পারে। 

    এআইয়ের যুগে অপ্রতিস্থাপনীয় হতে চাইলে, আজ থেকেই সেই মানুষটি হয়ে ওঠার কাজ শুরু করতে হবে।

  • অর্গানিক কন্টেন্ট দিয়ে এআই এজেন্সির  ক্লায়েন্ট আনার কৌশল

    অর্গানিক কন্টেন্ট দিয়ে এআই এজেন্সির ক্লায়েন্ট আনার কৌশল

    অনেক নতুন এআই এজেন্সি মালিক মনে করেন ক্লায়েন্ট পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো cold outreach—অর্থাৎ মানুষের ইনবক্সে মেসেজ পাঠানো, ইমেইল করা, বা কোল্ড কল করা। 

    কিন্তু বাস্তবে আরেকটি শক্তিশালী উপায় আছে, যেটি সময়ের সাথে একটি বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে। 

    সেটি হলো Organic Content

    Organic Content মানে হলো এমন কনটেন্ট তৈরি করা যা আপনার টার্গেট ক্লায়েন্টদের জন্য উপকারী।

    তারা যখন আপনার ভিডিও বা পোস্ট দেখে কিছু শেখে বা নতুন ধারণা পায়, তখন ধীরে ধীরে আপনার প্রতি ট্রাস্ট তৈরি হয়। 

    এই ট্রাস্টই একসময় sales call এবং ক্লায়েন্টে রূপ নিতে পারে।

    এআই এজেন্সির ক্ষেত্রে Organic Content বিশেষভাবে কার্যকর, কারণ অনেক ব্যবসা এখনও AI কীভাবে তাদের কাজে লাগতে পারে তা পুরোপুরি বোঝে না। 

    আপনি যদি সহজভাবে তাদের সমস্যার সমাধান ব্যাখ্যা করতে পারেন, তাহলে আপনার কনটেন্টই আপনার মার্কেটিং হয়ে ওঠে।

    এই লেখায় আমরা দেখবো কীভাবে Organic Content ব্যবহার করে এআই এজেন্সির জন্য ধারাবাহিকভাবে সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট আকর্ষণ করা যায়।

    অর্গানিক কনটেন্ট আসলে কী

    Organic Content খুব সহজ একটি ধারণা।

    আপনি আপনার টার্গেট ক্লায়েন্টদের জন্য এমন কনটেন্ট তৈরি করেন যা তাদের সমস্যার সমাধান, নতুন আইডিয়া বা রিয়েল এক্সাম্পল তুলে ধরে। তারা সেই কনটেন্ট দেখে আপনার দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা পায়।

    যেমন ধরুন আপনি real estate এজেন্টদের জন্য AI automation service দেন। তাহলে আপনার কনটেন্ট হতে পারে:

    • “AI দিয়ে কীভাবে real estate lead follow-up automate করা যায়”
    • “২০২৬ সালে real estate ব্যবসায় AI ব্যবহারের ৫টি উপায়”
    • “AI chatbot দিয়ে Property inquiry কীভাবে handle করা যায়”

    এ ধরনের কনটেন্ট এমন মানুষদের আকর্ষণ করে যারা আপনার সার্ভিসের সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট।

    কেন অর্গানিক কনটেন্ট থেকে আসা ক্লায়েন্ট আলাদা

    Organic Content থেকে আসা মানুষ সাধারণত অন্য ধরনের লিডের চেয়ে আলাদা হয়।

    কারণ তারা আগে থেকেই আপনার কনটেন্ট দেখেছে। 

    তারা আপনার চিন্তার ধরন বুঝেছে। অনেক সময় তারা আপনার কয়েকটি ভিডিও বা পোস্ট দেখার পরেই call book করে।

    এর ফলে সেলস কল অনেক সহজ হয়।

    এই ধরনের লিডকে অনেক সময় বলা হয় warm lead। 

    তারা সম্পূর্ণ অচেনা নয়; তারা আগে থেকেই আপনাকে কিছুটা বিশ্বাস করে।

    এই কারণেই অনেক এজেন্সি মালিক বলেন, অর্গানিক কনটেন্ট থেকে আসা ক্লায়েন্ট সাধারণত সবচেয়ে সহজে close হয়।

    YouTube: সবচেয়ে শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম

    Organic Content-এর ক্ষেত্রে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে—LinkedIn, Instagram, TikTok ইত্যাদি। 

    তবে এআই এজেন্সির মতো ব্যবসার জন্য YouTube প্রায়ই সবচেয়ে শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

    কারণ ইউটিউবে মানুষ সাধারণত শেখার জন্য আসে।

    আপনি যদি একটি নির্দিষ্ট ইন্ডাস্ট্রির জন্য AI solution ব্যাখ্যা করেন, তাহলে সেই industry-র মানুষ আপনার ভিডিও খুঁজে পেতে পারে।

    যেমন আপনি একটি ভিডিও বানাতে পারেন:

    “Solar business-এ AI ব্যবহার করে appointment booking automation”

    এ ধরনের ভিডিওতে আপনি সহজভাবে বোঝাতে পারেন:

    • সমস্যাটা কী
    • AI কীভাবে সমাধান দেয়
    • বাস্তবে কীভাবে সেটি কাজ করে

    ভিডিও তৈরির জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন:

    • Loom বা OBS Studio – স্ক্রিন রেকর্ড করার জন্য
    • Canva – presentation slide বানানোর জন্য
    • Lucidchart বা Miro – workflow diagram দেখানোর জন্য 

    অনেক সময় খুব সাধারণ screen recording ভিডিও কার্যকর হতে পারে, যদি তাতে পরিষ্কারভাবে সমস্যা ও সমাধান বোঝানো হয়।

    Value আগে, Pitch পরে

    Organic Content-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম আছে:

    আগে value দিতে হবে, তারপর pitch করতে হবে।

    অনেক নতুন creator ভুল করে শুরুতেই বিজ্ঞাপনমুখী কনটেন্ট বানায়। তারা শুধু বলে:

    “আমাদের service নিন”
    “Description-এ link আছে”
    “Call book করুন”

    কিন্তু যদি পুরো ভিডিওই বিজ্ঞাপন হয়ে যায়, তাহলে দর্শক আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

    এর বদলে ভালো কৌশল হলো:

    1. প্রথমে সমস্যার ব্যাখ্যা করা
    2. তারপর একটি বাস্তব সমাধান দেখানো
    3. এরপর সংক্ষেপে বলা কীভাবে আপনার service সাহায্য করতে পারে

    এই ধরনের কনটেন্ট দর্শকদের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য হয়।

    ভিডিওতে Call To Action কীভাবে দেবেন

    Organic Content-এ Call To Action (CTA) খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    CTA সাধারণত দুই জায়গায় দেওয়া হয়।

    ভিডিওর মাঝখানে

    ভিডিওর মাঝামাঝি সময়ে একটি ছোট CTA দেওয়া যায়।

    উদাহরণ:

    “যদি আপনি একজন solar business owner হন এবং এই ধরনের AI automation আপনার ব্যবসায় ব্যবহার করতে চান, তাহলে description-এ একটি link আছে যেখানে আপনি একটি free strategy call book করতে পারেন।”

    এটি সাধারণত সংক্ষিপ্ত রাখা হয়।

    ভিডিওর শেষে

    ভিডিওর শেষে CTA একটু বিস্তারিত হতে পারে।

    যেমন:

    • Call booking link
    • Free consultation
    • Strategy session

    এতে দর্শক জানে পরবর্তী ধাপ কী।

    ইনস্টাগ্রাম কীভাবে সাহায্য করে

    YouTube অনেক সময় ডিপ কনটেন্টের জন্য ভালো, কিন্তু Instagram দ্রুত reach তৈরি করতে সাহায্য করে।

    বিশেষ করে Instagram Reels এখন নতুন audience পাওয়ার জন্য কার্যকর।

    আপনি ছোট ছোট ভিডিও বানাতে পারেন যেমন:

    • “AI দিয়ে sales follow-up automation”
    • “AI chatbot কীভাবে customer support কমায়”
    • “3 AI tools for real estate agents”

    এই ভিডিওগুলো সাধারণত ৩০–৬০ সেকেন্ডের হয়।

    ভিডিও তৈরির জন্য ব্যবহার করা যায়:

    • CapCut
    • Canva
    • InShot

    Instagram CTA কৌশল

    Instagram-এ একটি কার্যকর কৌশল হলো comment-based CTA

    উদাহরণ:

    ভিডিওর শেষে বলা যায়:

    “আপনি যদি solar business owner হন এবং এই AI workflow দেখতে চান, তাহলে comment-এ ‘SOLAR’ লিখুন।”

    এরপর আপনি:

    • DM পাঠাতে পারেন
    • Call booking link দিতে পারেন
    • অথবা একটি short guide শেয়ার করতে পারেন

    এটি audience engagement বাড়ায়।

    Content Consistency কেন গুরুত্বপূর্ণ

    Organic Content-এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ধৈর্য।

    অনেক সময় শুরুতে খুব কম view আসে।

    • ২০ view
    • ৫০ view
    • ১০০ view

    কিন্তু সমস্যা নেই। কারণ Organic Content সময়ের সাথে compound effect তৈরি করে।

    একটি ভিডিও হয়তো তেমন কাজ করল না, কিন্তু ২০টি ভিডিও একসাথে একটি শক্তিশালী library তৈরি করতে পারে।

    এই কারণে একটি content schedule রাখা ভালো।

    উদাহরণ:

    • YouTube: প্রতি সপ্তাহে ১টি ভিডিও
    • Instagram: প্রতি সপ্তাহে ৩–৪টি reels

    Consistency না থাকলে algorithm নতুন audience-এর কাছে কনটেন্ট পৌঁছাতে পারে না।

    অপ্রয়োজনীয় জটিলতা নিয়ে চিন্তা না করা

    অনেক নতুন creator ছোট ছোট বিষয় নিয়ে বেশি চিন্তা করে।

    যেমন:

    • কোন hashtag ব্যবহার করা উচিত
    • কোন posting time সেরা
    • কোন format ভালো

    বাস্তবে algorithm এখন অনেক বেশি content quality-এর উপর নির্ভর করে।

    যদি কনটেন্ট সত্যিই উপকারী হয়, তাহলে ধীরে ধীরে সেটি সঠিক দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে।

    এই কারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:

    • স্পষ্ট ব্যাখ্যা
    • বাস্তব উদাহরণ
    • নির্দিষ্ট industry focus

    নতুনরা কীভাবে শুরু করতে পারেন

    একটি সহজ শুরু হতে পারে এইভাবে:

    প্রথমে একটি niche নির্বাচন করুন।

    তারপর সেই niche-এর সমস্যাগুলো নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করুন।

    এরপর:

    1. Canva দিয়ে simple slide তৈরি করুন
    2. Loom দিয়ে screen recording করুন
    3. YouTube-এ ভিডিও আপলোড করুন
    4. Instagram-এ ছোট reel বানান
    5. Description-এ Calendly বা GoHighLevel booking link রাখুন

    এইভাবে ধীরে ধীরে একটি content engine তৈরি করা যায়।

    Organic Content কোনো দ্রুত রেজাল্ট পাওয়ার স্ট্র্যাটেজি নয়। কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে শক্তিশালী মার্কেটিং অ্যাসেটগুলো একটি।

    একটি ভালো ভিডিও বা পোস্ট শুধু একবার কাজ করে না—বরং মাসের পর মাস নতুন মানুষকে আপনার কাছে নিয়ে আসতে পারে।

    যখন মানুষ আপনার কনটেন্ট থেকে শিখে, তখন তারা আপনাকে শুধু একজন service provider হিসেবে দেখে না; বরং একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেখতে শুরু করে।

    আর সেখান থেকেই শুরু হয় সত্যিকারের বিজনেস রিলেশন।

  • কনটেণ্ট, কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি ও কনটেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা-১

    কনটেণ্ট, কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি ও কনটেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা-১

    কনটেণ্ট, কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি ও কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে ধারাবাহিক কয়েকটি পর্বের এটি প্রথম পর্ব। ধারাবাহিক এই লেখায় কন্টেট, কন্টেণ্ট মার্কেটিং আর কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি নিয়ে গুরুতপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরবো। আমার এই লেখার উদ্দেশ্য অনলাইনে বিজনেস তৈরি ও গ্রো করতে কনটেন্ট যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তা তুলে ধরা আর কিভাবে কনটেণ্ট মার্কেটিং নিজের বিজনেসে এপ্লাই করা যায় তা তুলে ধরা।


    যে কোন কিছুর দুইটা সাইট আছে – একটা ভুল আর একটা সঠিক। অনলাইন মার্কেটিংয়ের নানা রকম স্ট্রাটেজি আছে – পেইড এডভার্টাইজমেন্ট, এসইও, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি। কেবল একটা পদ্ধতির উপর নির্ভর করাটা ভুল।

    আবার বেটার রেজাল্ট, লো কস্ট, লং টার্ম রিটার্ণ নিয়ে আসে এমন স্ট্রাটেজি ইমপ্লিমেন্ট না করা বিজনেসের জন্য ভুল।

    কনটেণ্ট মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্য যেকোনো মার্কেটিং স্ট্রাটেজির তুলনায় সাশ্রয়ী আর উচ্চ আরওআই সম্পন্ন।

    কনটেন্ট ইজ কিং। প্রমানিত সত্যি কথা। এই কথাটা প্রায় সবাই জানে। ওয়েবসাইট মানেই কনটেণ্ট। সেটা অডিও ভিজুয়াল হউক আর টেস্কট হউক। সাইট তৈরির জন্য বেসিক পেইজগুলো থেকে শুরু করে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য প্রয়োজন।

    ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্রাটেজির সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট হলো কনটেণ্ট। সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্ক থেকে, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে, অন্য সাইট থেকে সাইটে ভিজিটর আনতে কনটেণ্ট প্রয়োজন।

    কনটেন্ট মার্কেটিং আবার ক্লায়েন্ট একুইজেশনের ক্ষেত্রে অন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের চেয়ে কয়েকগুন বেশি কার্যকর। কনটেন্ট সাম্ভাব্য ক্রেতার মাঝে আস্থা ও বিশ্বাস আর সম্পর্কে তৈরি করে সহজেই।

    বিটুবি আর বিটুসি মার্কেটারদের ৮০% এর উপরের কনটেন্ট মার্কেটিংকে তাদের কোর স্ট্রাটেজির অংশ করেছে। কারন তারা দেখেছে কনটেণ্ট থেকে লিড আর সেলস জেনেরেট হয় অনেক গুন বেশি।

    এডভার্টাইজমেন্টের মাধ্যমে তাদের কোম্পানীকে যারা খুজে পায় তাদের চেয়ে যারা আর্টিকেল থেকে খুজে পায় তারা অনেক বেশি কনর্ভাট হয়। ক্রেতারা যখন কোন কনটেণ্টকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করে তখন কোম্পানীকেও বিশ্বাস যোগ্য মনে করে।

    মোবাইল আর সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই বিশাল সংখ্যক ব্যবহারীরদের কাছে পৌছাতে হলে প্রয়োজন কনটেণ্ট।

    কনটেন্ট অনেক ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারেঃ

    • কোন কোম্পানীর ব্রান্ড এক্সপোজার বাড়াতে পারে
    • ভিজিটর বাড়াতে পারে
    • লিড বাড়াতে পারে
    • সেলস তৈরি করতে পারে
    • কাস্টোমার সার্ভিসে সাহায্য করতে পারে।
    বায়ার জার্নি

    নানা রকমের কনটেণ্ট, নানান অবজেক্টিভ আর ক্রেতাদের বায়িং জার্নি হয় আলাদা। সব কিছু বিবেচনা নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতে পারলেই সাফল্য আসে। কিন্তু বিষয় গুলো অতটা সরল রৈখিক না। সব কিছু করতে হয় একটা কৌশল আর পরিকল্পনার মাধ্যমে।

    স্ট্রাটেজি জরুরী।

    কিওয়ার্ড রিসার্চ করে ব্লগ পাবলিশ করলেই কিংবা কিছু তথ্য নিয়ে সাইট তৈরি করলেই বিক্রি বাড়বে না, ব্রান্ডিং তৈরি হবে না। হলেও তেমনটা হবে না যেমনটা হওয়া উচিত। টিকে থাকার জন্য যেমন নির্দিস্ট পরিমান সেলস প্রয়োজন, ঠিক তেমনি ক্রমাগত উন্নতির জন্য সেলস ক্রমশঃ বাড়ানোর প্রয়োজন।

    এমন যদি হয় সুযোগ আছে কিন্তু তা ব্যবহার করা হচ্ছে না তাহলে সেটা বড় হওয়ার জন্য খুবই ক্ষতিকর। ছোট সম্ভাবনাকে বড় করার মাধ্যমেই বড় হতে হয়।

    কনটেন্ট নিয়ে উত্তোরত্তর ভালো ফলাফল পেতে হলে কন্টেন্ট সম্পর্কে, কন্টেণ্ট মার্কেটিং সম্পর্কে আর কনটেণ্ট স্ট্রাটেজি সম্পর্কে সুপস্ট ধারনা থাকা অত্যাবশক।

    শেখাটা গাইডেড হলে সময় বেচে যায় আর সহজেই শেখা যায়।

    নতুনদের কনটেণ্ট সম্পর্কে আর কন্টেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে জানার লার্নিং কার্বটা একটু দীর্ঘ। একটা ফাউন্ডেশনাল নলেজের প্রয়োজন হয়। কনসেপ্ট বুঝতে হয়, ইলিমেন্ট গুলো বুঝতে হয়, প্রসেস বুঝতে হয়।

    ওয়েবে এই নিয়ে প্রচুর তথ্য আছে। কিন্তু সমস্যা হয় সব গুলো বিষয়কে একত্রিত করে পাওয়া। কনটেণ্টের সাথে কমপ্লিমেন্টরি আর সাপলিমেন্টরি অনেক কিছুই বুঝতে হয়। নতুনদের জন্য তাই বিষয়টা একটু জটিল হয়ে যায়। চেস্টা চালিয়ে গেলে সময় কয়েক গুন  বেশি লাগলেও শেখা যায়।

    কাদের কন্টেন্ট স্ট্রাটিজি জানা বা শেখা উচিত?

    যাদের যে কোন ধরনের অনলাইন বিজনেস আছে, অনলাইন মার্কেটিং প্রফেশনাল, আর যারা নতুন করে বিজনেস শুরু করতে চায়। যিনি অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করেন তিনি যদি কন্টেন্ট তার বিজনেসের জন্য কি করতে পারে আর তা কেমন করে করতে হয় জানে তাহলে অবশ্যয় তিনি তার বিজনেস বাড়াতে সঠিক পথে তার টিমকে পরিচালনা করতে পারবেন।

    যিনি নতুন করে বিজনেস শুরু করতে চাচ্ছেন তিনি যদি জানেন কেমন হউয়া উচিত তার সাইটের ইনফরমেশন হায়ারকি, কারা তার বায়ার, তাদের বায়িং জার্নি কেমন আর প্রত্যেক পেইজের জন্য কেমন কনটেন্ট থাকা উচিত তাহলে তিনি খুব ভালো ভাবে সাইটটি তৈরি করতে পারবেন, লিড কালেক্ট করতে পারবেন। লিডকে ক্লায়েণ্ট কনর্ভাট করতে পারবেন।

    কনটেণ্ট স্ট্রাটিজকে খুবই গুরুত্বের সাথেই নতুন ভাবে করতে যাওয়া আর বর্তমানে আছে এমন সব বিজনেসকে নিতে হবে।


    পরের পর্বে আমরা কনটেণ্ট মার্কেটিংয়ের কিছু উদাহরণ নিয়ে আলোচনা করবো। যেখানে আমরা দেখবো কন্টেণ্ট কি ধরনের সাফল্য নিয়ে এসেছে।